আজ ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবিঃ সংগৃহিত

অখুশি নন ডেকলান খেলার কম সুযোগেও

রোনান ও ডেকলান সুলিভান যমজ ভাই। দুই ভাই আমেরিকার ফেলাডেলফিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন সাফ অ-২০ টুর্নামেন্ট খেলতে। রোনান সুলিভান গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচ, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল চার ম্যাচই খেলেছেন। কিন্তু চার ম্যাচ মিলিয়ে পুরো এক অর্ধও খেলতে পারেননি তার ভাই ডেকলান সুলিভান।

প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামতেই পারেননি ডেকলান। সেমিফাইনালে নেমেছিলেন ৮৭তম মিনিটে। ফাইনালে নেমেছিলেন ৬৩তম মিনিটের সময়। ভাই রোনান প্রতি ম্যাচেই দাপটের সাথে খেলছেন। নিজে তেমন সময় পাননি। এ নিয়ে খানিকটা অতৃপ্তি কাজ করলেও পেশাদার খেলোয়াড়ি মনোভাব পোষণ করে বলেন, ‘ফুটবলে এমন হয়েই থাকে। টিম স্পিরিটই মূল বিষয়। দলের প্রয়োজনে যখন যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই খেলার জন্য প্রস্তুত। সামগ্রিকভাবে আমি সন্তুষ্ট।

সেমিফাইনালে মাত্র মিনিট সাতেক সময় মাঠে ছিলেন। ঐ সময়ের মধ্যে ভাই রোনানকে নেপালের বিপক্ষে বক্সে দারুণ বল দিয়েছিলেন। ফাইনালেও ম্যাচের শেষ দিকে ডান প্রান্ত থেকে রোনানের উদ্দেশ্যে লম্বা বল ঠেলেছিলেন। রোনান বল পেলেও শেষ পর্যন্ত গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি। দুই ভাইয়ের বোঝাপড়া নিয়ে ডেকলান বলেন, ‘আমরা এক সঙ্গে বেড়ে উঠেছি এবং খেলছি। আমার ডেলিভারি মুহূর্ত ও তার রিসিভিং পজিশন সম্পর্কে বেশ ভালোভাবেই জানা।

ডেকলান সুলিভান মূলত রাইট ব্যাক। ডিফেন্ডার হলেও সাফ অ-২০ টুর্নামেন্টে আক্রমণে সহায়তা করেছেন একাধিকবার। ভাই রোনান গোল করেন চার ম্যাচে দুটি, করেছেন আরেকটি। আরেক ভাই ডেকলানের দায়িত্ব গোল রক্ষা করা। নিজের ডিফেন্স নিয়ে ডেকলান বলেন, ‘ডিফেন্স আমার প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি আমি আক্রমণও করতে পারি। দুটির মধ্যে সমন্বয় ও আরো উন্নতি করতে চাই।’ডেকলান প্রথম দুই ম্যাচে খেলার সুযোগ পাননি। এজন্য বাংলাদেশের সমর্থকরা অনেক প্রতিবাদ ও সমালোচনা করেছেন। তার ভাই রোনানের গোলের পর মালদ্বীপে সমর্থকরা উল্লাস করেন। ঢাকায় এসে দেখেছেন ফুটবলের প্রতি মানুষের ভালোবাসা। সব মিলিয়ে তাই বাংলাদেশের সমর্থকদের ভালোবাসায় মুগ্ধ ডেকলান, ‘সবার এমন সমর্থনে সত্যি আমি অভিভূত। বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকরা সেরা।

সংবাদ-সংগৃহিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category